Nokshi Pitha তৈরির রেসিপি | নকশি পিঠা | Bangladeshi Pitha
Cart
রেসিপি

হরেক রকম নকশি পিঠা তৈরির উপকরণ ও প্রস্তুত প্রণালী

Nokshi Pitha

শীতকালের বিভিন্ন পিঠার মধ্যে নকশি পিঠা ( Nokshi Pitha ) এর আবেদন বাঙ্গালির কাছে সার্বজনীন। আবাল-বৃদ্ধ-বণিতা সকলেই এই নকশি পিঠা খেতে ভীষণ পছন্দ করে। গ্রামে গেলে দাদী কিংবা নানী মজাদার সব নকশি পিঠা বানিয়ে খাওয়ান। কিন্তু শহরের যান্ত্রিক জীবনে বসে নকশি পিঠা খাওয়ার সুযোগ কই? চিন্তার কিছু নেই। আজ খাসফুড আপনাকে শেখাবে নকশি পিঠা বানানোর উপায়। দেখে নেওয়া যাক এই শীতের সকালে কিভাবে বানাতে পারবেন মজাদার নকশি পিঠা –

নকশি পিঠা তৈরির উপকরণ :

Nokshi Pitha তে মূল অংশ দুইটি।

১. খামির, ২. গুড়ের সিরা

এই দুইটি অংশ আলাদাভাবে বানিয়ে নিতে হয়। নিচে এগুলো বানানোর উপকরণ দেওয়া হলোঃ

খামির তৈরির উপকরণ

চালের গুড়া – ২কাপ

ময়দা – আধা কাপ (ময়দা নিলে মথতে সুবিধা হয়, তাই চাইলে ময়দাও নিতে পারেন)

লবণ – আধা চা চামচ

নারিকেল গুড়া – আধা কাপ

পানি- আড়াই থেকে তিন কাপ

গুড়ের সিরার তৈরির জন্য উপকরণ

প্রথমে এক কাপ চিনি আর এক কাপ পানি একসাথে জ্বাল দিয়ে সিরা করতে হবে। বা চিনির জায়গায় চাইলে এক কাপ মত গুড়ও নেওয়া যাবে। পিঠা ভাজার জন্য নিতে হবে পরিমাণমত তেল।

Nokshi Pitha পিঠা প্রস্তুত প্রণালীঃ

প্রথমে, চিনি বা গুড়ের সিরা প্রস্তুত করে নিন উপরের নিয়ম অনুযায়ী। সিরাটা ঘন আঠালো হতে হবে, নাহয় পিঠা ভালো হবে না। বাজারে পাওয়া যায় এরকম পিঠার নকশা বানানোর কিছু ছাঁচের সাহায্যে নকশা করে নিন।

খামির তৈরী :

পাত্রে পানি ,লবণ একসাথে নিয়ে চুলায় জ্বাল দিন । বলক আসলে চালের গুড়ার সাথে ময়দা মিশিয়ে ফুটন্ত পানিতে দিন । এরপর তার সাথে নারিকেল গুড়া যুক্ত করে ভাল করে নেড়ে মিশ্রণ করুন । এবার ঢেকে দিন, চুলার আঁচ দশ মিনিটের মত কমিয়ে রাখুন। এরপর নামিয়ে থালায় ঢেলে মিশ্রণটা হালকা ঠান্ডা করে নিন। এবার হালকা গরম পানি হাতে লাগিয়ে খামির ভাল করে মথে নিন। লম্বা রোল করে নিন খামিরকে। এবার সূতা বা ছুরি দিয়ে হাফ ইঞ্চি সমান করে চাকা করে কেটে নিন।

নকশী পিঠা তৈরীঃ

এখন ,পিড়িতে তেল লাগিয়ে নিন ।এখন একটি খামিরের টুকরা নিয়ে একটু মোটা রুটি বেলে নিন। রুটির উপরে নিচে তেল লাগিয়ে নিন। এখন রুটিটি কাটার দিয়ে কেটে, তুথ পিক বা খেজুর কাঁটা বা কোন সুচাঁলো স্টিক দিয়ে পছন্দ মত নকশা করে নিন।

পিঠা তৈরির সময় যে বিষয়গুলো খেয়াল রাখবেনঃ

সবকটি পিঠা বানানো হলে গরম ডুবো তেলে ভেজে নিতে হবে মাঝারি আচেঁ। এই পিঠা সময় নিয়ে ভাজতে হবে। তাড়াহুড়া করা যাবে না। তবে বানানোর পর একবার হালকা ভেজে রেখে দিতে পারেন। পরের দিন আবার হালকা বাদামি করে ভেজে নিন। ভাল করে তেল ঝরিয়ে নিতে হবে। পেপারের উপর রাখুন যাতে অতিরিক্ত তেল টেনে নেয়। নামিয়ে চিনির সিরা বা গুড়ের সিরা দিন পিঠার উপর। ব্যস হয়ে গেলো নকশী পিঠা।

এই পিঠায় সাধারণত চালের গুড়া ব্যবহার করা হলেও ময়দাও ব্যবহার করা যায় যাতে মথতে সুবিধা হয়। আর নারিকেল দেয়াতে পিঠার স্বাদবৃদ্ধিও ঘটে অনেক। নকশী পিঠা ভাজার পর সিরায় এক মিনিট মত রাখতে হয় যাতে পিঠার ভিতরে সিরা ঢুকতে পারে, নাহলে খেতে মজা লাগবেনা। মিষ্টি কম খেতে চাইলে ব্রাশ করে করে সিরা লাগাতে পারেন পিঠায়। মিষ্টি বেশি চাইলে সিরায় ডুবিয়ে তুলবেন। এই পিঠা প্লাস্টিক ব্যাগে রেখে বা প্লাস্টিক বক্সে রেখে মুখ বন্ধ করে রাখলে ও অনেকদিন মচমচে থাকে।

আরও একটি বিষয় মাথায় রাখতে হবে। তা হোল- পিঠা শুধু সুস্বাদু হলেই হবে না, সেই সাথে স্বাস্থ্যের উপযোগী হতে হবে। তাই পিঠা তৈরির সময় অবশ্যই স্বাস্থ্যসম্মত উপকরণ ব্যবহার করে পিঠা বানাতে হবে।

কোথায় পাবেন ভাল মানের পিঠা তৈরির উপকরণ?

আশার কথা হচ্ছে- নকশি পিঠা বানানোর জন্য প্রয়োজনীয় সকল উপাদন, যেমন – চালের গুড়া, গুড়, চিনি – সবকিছুই পাচ্ছেন খাস ফুড অনলাইন শপে। তাই শীতের মধ্যে কম্বলের নিচ থেকে বের হয়ে বাজারে গিয়ে কোন উপকরণ কেনার প্রয়োজন নেই। আজই অর্ডার করুণ, সমস্ত খাদ্য পৌঁছে যাবে আপনার ঠিকানায়। খাঁটি খাবার খাস ফুডে থাকতে আর চিন্তা কিসের?

চালের গুড়াঃ Order Chaler Gura

পাটালী গুড়ঃ  Order Patali Gur

আটা/ময়দাঃ Order Brown Atta

আরও পড়ুনঃ

ভাপা পিঠা তৈরির নিয়ম